মানব জাতির উন্নয়নকল্পে সমুদ্রবিজ্ঞান এক নতুন ও সম্ভাবনাময় বিজ্ঞান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে | এই বিজ্ঞানের সবচেয়ে সহজ সংজ্ঞা হলো সমুদ্র প্রপঞ্চ অধ্যয়নে বিজ্ঞানের সকল শাখার প্রয়োগ | এই সংজ্ঞার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো 'সকল', অর্থাৎ ভালো সমুদ্র বিজ্ঞানী হতে হলে বিজ্ঞানের অধিকাংশ শাখা এবং সমুদ্রের ওপর শাখাগুলোর প্রভাব সম্পর্কে কিছু ধারণা অবশ্যই থাকতে হবে | সমুদ্র বিজ্ঞানে সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবস্থান ও বন্টন , সমুদ্রের পানির রাসায়নিক ও ভৌত বিশ্লেষণ, সমুদ্র স্রোত, ঢেউ ও জোয়ার-ভাতার প্রকৃতি, সমুদ্র তলদেশের বৈশিষ্ট ও বায়ুমন্ডলের সাথে সমুদ্রের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে |
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সমুদ্র বিজ্ঞানী সমুদ্রবিজ্ঞানকে নানা ভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন | নিম্নে সমুদ্রবিজ্ঞানের কয়েকটি সংজ্ঞা দেওয়া হলো :
প্রাউডম্যান (Proudman, 1962) সমুদ্র বিজ্ঞানের সপ্ন্জ্ঞা দিয়েছেন এমন ভাবে যে, ভৌত ও জৈবিক বৈশিষ্টের আলোকে সমুদ্রের পানির তাপীয় পরিক্রমণ ও গতিশীলতার মৌলিক বৈশিষ্টের সমীক্ষাই হলো সমুদ্রবিজ্ঞান |[১], ফেয়ারব্রিজের (Fairbridge, 1966 ) মত্রে সমুদ্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা হচ্ছে - সমুদ্রের বিভিন্ন প্রপঞ্চের সাথে বায়ুমন্ডলের পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা | [২]