বছরের এই সপ্তাহটা Geography Awareness Week হিসেবে পালন করা হচ্ছে | আন্তর্জাতিক ভাবে এখনো এরকম কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি | নেশনাল জিওগ্রাফিক এই সপ্তাহ উদযাপনের মূল উদ্যোগটা |এই বছরের প্রতিপাদ্য হচ্ছে : বিশুদ্ধ পানি- যা মূলত পৃথিবীর সুপেয় পানির গুরুত্ব বুঝিয়েছে |
Tuesday, November 16, 2010
Sunday, November 7, 2010
সমুদ্র বিজ্ঞান : মৌলিক সংজ্ঞা
মানব জাতির উন্নয়নকল্পে সমুদ্রবিজ্ঞান এক নতুন ও সম্ভাবনাময় বিজ্ঞান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে | এই বিজ্ঞানের সবচেয়ে সহজ সংজ্ঞা হলো সমুদ্র প্রপঞ্চ অধ্যয়নে বিজ্ঞানের সকল শাখার প্রয়োগ | এই সংজ্ঞার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো 'সকল', অর্থাৎ ভালো সমুদ্র বিজ্ঞানী হতে হলে বিজ্ঞানের অধিকাংশ শাখা এবং সমুদ্রের ওপর শাখাগুলোর প্রভাব সম্পর্কে কিছু ধারণা অবশ্যই থাকতে হবে | সমুদ্র বিজ্ঞানে সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবস্থান ও বন্টন , সমুদ্রের পানির রাসায়নিক ও ভৌত বিশ্লেষণ, সমুদ্র স্রোত, ঢেউ ও জোয়ার-ভাতার প্রকৃতি, সমুদ্র তলদেশের বৈশিষ্ট ও বায়ুমন্ডলের সাথে সমুদ্রের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে |
বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সমুদ্র বিজ্ঞানী সমুদ্রবিজ্ঞানকে নানা ভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন | নিম্নে সমুদ্রবিজ্ঞানের কয়েকটি সংজ্ঞা দেওয়া হলো :
প্রাউডম্যান (Proudman, 1962) সমুদ্র বিজ্ঞানের সপ্ন্জ্ঞা দিয়েছেন এমন ভাবে যে, ভৌত ও জৈবিক বৈশিষ্টের আলোকে সমুদ্রের পানির তাপীয় পরিক্রমণ ও গতিশীলতার মৌলিক বৈশিষ্টের সমীক্ষাই হলো সমুদ্রবিজ্ঞান |[১], ফেয়ারব্রিজের (Fairbridge, 1966 ) মত্রে সমুদ্রবিজ্ঞানের সংজ্ঞা হচ্ছে - সমুদ্রের বিভিন্ন প্রপঞ্চের সাথে বায়ুমন্ডলের পারস্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনা | [২]
Saturday, November 6, 2010
নৃ-ভূগোল : মৈলিক সংজ্ঞা
ভূগোল শাস্ত্রের যে শাখায় নৃ-গোষ্ঠী তথা মানব জাতিসমূহের ভৌগলিক বন্টন বৈশিষ্ট পর্যালোচনা করে টা নৃ-ভূগোল(Anthropogeography) বলে পরিচিত | ভূগোলের এই শাখার সাথে নৃ-বিজ্ঞানের মৌলিক সম্পর্ক রয়েছে | যেমনটি জৈব ভূগোলের সঙ্গে জীববিদ্যার কিনবা অর্থনীতিক ভূগোলের সাথে অর্থনীতির | কোনো কোন ভূগোলবিদ মানব ভূগোল ও নৃ-ভূগোলকে একই অর্থে ব্যবহার করছেন |[১]
ভূগোলের এই জনপ্রিয় শাখার উদ্ভব হয় ফ্রেডরিখ রেটজেল(১৮৪৪-১৯০৪) এর হাত ধরে | তাঁর রচিত Anthropogeographie (দুই খন্ডে লেখা ১৮৮২ ও ১৮৯১ সালে প্রকাশিত) নৃ-ভূগোলের ভিত্তি স্থাপন করে |[২]
ভূগোলের এই জনপ্রিয় শাখার উদ্ভব হয় ফ্রেডরিখ রেটজেল(১৮৪৪-১৯০৪) এর হাত ধরে | তাঁর রচিত Anthropogeographie (দুই খন্ডে লেখা ১৮৮২ ও ১৮৯১ সালে প্রকাশিত) নৃ-ভূগোলের ভিত্তি স্থাপন করে |[২]
সুত্র :[১] বাকী, আ. ও জা. খান (১৯৯৭) ভুবনকোষ , ঢাকা : বঙ্গ
Tuesday, August 10, 2010
ভূগোলশাস্ত্র : উত্পত্তি ও মৌলিক সংজ্ঞা
বুদ্ধিমান প্রাণী হিসেবে যাত্রা যেদিন থেকে, সেদিন থেকেই মানুষ তার পরিসর, পারি পার্শ্বিকতা ও পরিবেশ সম্পর্কে জানার চেষ্ঠা করেছে | এ ধরনের অনুমানের যথার্থতাও রয়েছে | জ্ঞান বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মধ্যে ভূগোলশাস্ত্র সর্বাপেক্ষা প্রাচীন | গ্রীক পণ্ডিত এরাটসথেনিস (জন্ম ২৭৬ খ্রি. পূ.) সর্ব প্রথম Geography শব্দটি ব্যবহার করেন | তিনি এই শাস্ত্রকে 'মানুষের আবাসস্থল হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা করাকে বোঝাতে চেয়েছেন' (Geo = পৃথিবী ; graphy = বর্ণনা বা বিবরণ ) | অন্যদিকে , Geography এর বাংলা প্রতিশব্দ 'ভূগোল'(বরং সরভারতীয় প্রতিশব্দ বলাই যুক্তি সঙ্গত) শব্দটিও একই অর্থে সুপ্রাচীন কাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে | আধুনিক গবেষকদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে, ভূগোল শাস্ত্রে ভারতীয়দের অবদান গ্রীকদের চেয়েও প্রাচীন | যাহোক, এ সম্পর্কে ব্যাপক গবেষনার প্রয়োজন আছে | ভারতীয় পণ্ডিত সূর্যসিদ্বান্ত 'ভূগোল' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন | প্রাচীন ভারতীয় হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন প্রভৃতি ধর্ম গ্রন্থ এবং প্রাচীন পুরাণ সমূহে 'ভূগোল' ও 'খগোল', (Cosmology -র প্রতি শব্দ) শব্দটি প্রায়শই একই অর্থে ব্যবহৃত হতো এবং অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার মতো প্রাচীন ভারতেও ভূগোলশাস্ত্রের পরিধি ছিল ব্যাপক ও ধর্মাশ্রয়ী |
Subscribe to:
Comments (Atom)